রোহিঙ্গাদের কারণে নষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পরিবেশ

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ৭৫ হাজার রোহিঙ্গা। তাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দেখা দিয়েছে সামাজিক সংকটও। এমন অভিযোগ কক্সবাজারের বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর। তবে, শরণার্থী হিসেবে থাকা রোহিঙইদের একটি বড়ো অংশই ফিরে যেতে চান নিজ দেশে। এদিকে, রাখাইন রাজ্য পরিদর্শন শেষে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিকত্ব দিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, ইউএনএইচসিআর-এর প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্দি।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হচ্ছে মিয়ামারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।  বিভিন্ন সময় তাদের ওপর অত্যাচার করে দেশটির সেনাবাহিনী। পুড়িয়ে দেয়া হয় ঘরবাড়ি।

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা দলে দলে দেশ ছাড়ছেন। এরমধ্যে প্রায় ৭৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, আশ্রয় নেয়া এসব রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই অস্ত্র ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত। তারা ফিরে যেতে চান নিজ দেশে। প্রয়োজন মিয়ানমার সরকারের সদিচ্ছা। এদিকে, চলমান সংকটের মধ্যে সম্প্রতি রাখাইন রাজ্য পরিদর্শন করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, ইউএনএইচসিআর-এর একটি প্রতিনিধি দল। মিয়ানমার থেকে থাইল্যান্ড গিয়ে তারা আয়োজন করে সংবাদ সম্মেলনের। সেখানে সংস্থাটির  প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্দি রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিকত্ব দিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণে আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে গ্রান্দির।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment