কয়েক বছর লোকসানের পর কেমিক্যাল নামক শব্দটির বদনাম ঘুচাতে নানা  উদ্যোগ নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা। ভাল দাম পেতে ও  নিরাপদ আম উৎপাদনে ব্যবহার করছেন ফ্রুট ব্যাগ। উদ্যোগটি গেল কয়েক বছর আগে নেয়া হলেও এবার অধিকাংশ আম চাষি তা বাস্তবায়ন করছেন। আর ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতির মাধ্যমে আম চাষের প্রসার ঘটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে  কৃষি বিভাগ।

আমের রাজধানীক্ষ্যাত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি। সুসাদু
ও গুনগত মান ভালো হওয়ায় দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখানকার আম রপ্তারি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। আটি
আসার পরপরই বাছাই করা আমে ব্যাগ পরানো হয়। তাই রোদ, বৃষ্টি এমনকি পোকামাকড়ও আক্রম করতে
পারে না। কিটনাশকমুক্ত এসব আমের চাহিদা থাকায় ভালো দামও পাচ্ছেন
কৃষকরা।

কয়েক বছর ধরে কেমিক্যালের নামে
জেলার কয়েক হাজার মন আম ধ্বংশ করা হয়। এ কারণে আমচাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা। তাদের দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জের
উৎপাদিত আম বিদেশে রফতানি যোগ্য ও শতভাগ নিরাপদ।নিরাপদ আম উৎপাদনে কৃষকদের
উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

চলতি মৌসুমে প্রায় ১২ কোটি আমে
ফ্রুট ব্যাগিং করা হয়েছে।  জেলায়  ৩২ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এতে ৩
লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author