টাইগারদের স্বপ্ন পূরণ

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোনও ত্রিদেশীয় শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ। শুরুটা করেছিলেন সৌম্য সরকার। শেষ করলেন মোসাদ্দেক। সবমিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাহাড়সম টার্গেট সহজেই পার করে সপ্তমবারের চেষ্টায় কোনও ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ে সফল হলো মাশরাফি বাহিনী।এ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়েছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

ডাবলিনে ফাইনালের গল্পটা শুরু
হোক সবচেয়ে রোমাঞ্চকর পর্ব দিয়ে। বৃষ্টি আইনে টার্গেট ২৪ ওভারে ২১০ রান। ওভার
প্রতি দরকার ৯-এর কাছাকাছি। একপ্রান্তে ব্যাট চালিয়ে দারুণ সূচনা সৌম্যর সঙ্গে তাল
মেলাতে চেয়েছিলেন তামিমও। একবার জীবন ফিরে পেলেও মাত্র ১৮ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরতে
হয়। কোন রান না করেই তামিমের পথ ধরেন সাব্বির।

তবে অন্যপ্রান্তে আঁকড়ে ধরে চার-ছয় হাঁকিয়ে ত্রি-দেশীয় সিরিজের টানা তৃতীয় অর্ধশতক করা সৌম্য ফিরেন ৪১ বলে ৬৬ রান করে। মিঠুনকে নিয়ে সে ধাক্কা সামলান ২২ বলে ৩৬ রান করা মুশফিক। কিন্তু ৯ রানের ব্যবধানে মুশি ও মিঠুনের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

পরে মাহমুদউল্লাহ ও মোসাদ্দেক হয়ে যান টাইগারদের রেকর্ডের স্বাক্ষী। দেশের পক্ষে দ্রুততম ২৩ বলে অর্ধশতকের রেকর্ড নিজের করে নেন মোসাদ্দেক। শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে ৫২, আর মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ১৯ রানে ৭ বল হাতে রেখেই উল্লাসে মাতে বাংলাদেশ।

এই জয়ে ওয়ানডে স্বীকৃতি পাওয়ার পর মাশরাফির নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো ত্রিদেশীয় ট্রফি জিতলো বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা হন মোসাদ্দেক হোসেন।

এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে
নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুটাও ছিলো দারুণ। ফর্মে থাকা সেই হোপ ও অ্যামব্রিসের জোড়া
অর্ধশতকে ২০ ওভার ১ বলে বিনা উইকেটে ১৩১ রান তোলে তারা। এরপর বৃষ্টির বাধায় প্রায়
সাড়ে ৪ ঘন্টা বন্ধ থাকে খেলা। ম্যাচ কমিয়ে আনা হয় ২৪ ওভারে। শেষ পর্যন্ত ১ উইকেটে
১৫২ রানে শেষ হয় ক্যারিবীয়দের ইনিংস।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author