সুবর্ণচরে মরছে তরমুজ গাছ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বৃষ্টি ও খরায় ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত রোগে মরে যাচ্ছে তরমুজ গাছ। কোথাও কোথাও গাছ সবল থাকলেও নেই ফলন। এমন বিপর্যয়ে সর্বশান্ত হওয়ার শঙ্কায় কৃষকরা।

আর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব উল্লেখ করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে আবহাওয়া ও লবণাক্ত সহনীয় বীজ ব্যবহারেরও পরামর্শ দিলেন কৃষিবিদরা। নোয়াখালীরর অন্যতম কৃষি উপজেলা সুবর্ণচর। এক দশকের বেশি সময় ফসলের পাশাপাশি তরমুজের ভালো ফলন হয়ে আসছে।

বেসরকারি এক হিসেব বলছে প্রতি মৌসুমে দুইশ’ কোটি টাকার তরমুজ বিকিকিনি হচ্ছে এ জেলায়। ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় দিনদিন তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেন কৃষকরা। তবে বৃষ্টি ও খরায় তরমুজ গাছ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও সবুজ গাছ থাকলেও নেই ফুল বা ফল।কিছু ক্ষেতে ফলন হলেও পরিমাণে কম ও আকারে ছোট।

কৃষকরা বলছেন, এখনই ক্ষেতের তরমুজ কাটার কথা থাকলেও ফলন না হওয়ায় তাদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে। নানা রোগে তরমুজসহ ফসল নষ্ট হওয়ায় ঋণের ঝালে আটকা পড়েছেন কৃষকরা। আর ছত্রাক, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ রুখতে কাজ করছে কৃষি গবেষকরা।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এ অঞ্চলে কৃষি খাতকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন কৃষিবিদরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ি চলতি মৌসুমে জেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সুবর্ণচরেই চাষ হয়েছে ৯ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author