নোয়াখালীতে এক ফসলি জমির পরিমাণ বেশি

নোয়াখালীতে কৃষির প্রধান চ্যালেঞ্জ লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতা। সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে অবৈধ দখলমুক্ত করে খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে। এতে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এক ফসলি জমিতে বছরে তিন ফসল উৎপাদনের।

অবৈধ দখল ও দীর্ঘদিন থেকে সংস্কার না হওয়ায় অস্তিত্ব হারাতে বসেছে বৃহত্তর নোয়াখালীর বেশিরভাগ খাল। এ কারণে বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ও গ্রীষ্মে সেচ সংকট। ফলে বেশিরভাগ জমিতে এক ফসলের বেশি চাষ হচ্ছে না। কয়েক বছরের ফসলহানির কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে কৃষিতে।

জলাবদ্ধতার কারণে ফেনী,নোয়াখালী ও লক্ষীপুর জেলায় বছরে ৪০ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি পড়ে থাকে। লবণাক্ততার কারণে অনাবাদি থাকে আরো ৭০ হাজার হেক্টর।

এরই মধ্যে ৪শ’ কিলোমিটার খালের সংস্কার ও পুনঃখনন কাজ শুরু হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। উন্নত হবে মানুষের জীবনমান।

এ প্রকল্পে মেঘনা নদী থেকে পানি সরবরাহ করে বছরে ২০ হাজার ৩৩৮ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা দেয়া হবে। আর বছরে খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে ৯১ হাজার ৫২১ মেট্রিকটন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author