কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহনে গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ

তানজিলা নিঝুম: নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপিয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বাংলাদেশি পণ্য পরিবহনকারী কার্গো বিমানকে তৃতীয় দেশে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্রে তল্লাশির পর প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের বিমানবন্দরে এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিষ্টেম, ইডিএস না থাকায় ব্যবসায়ীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ ও সময়। তাই দ্রুত বিমানবন্দরে ইডিএস স্থাপনের দাবি জানান তারা। আগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ইডিএস বাংলাদেশে চলে আসবে, এমন আশ্বাস দিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

ইউরোপিয় ইউনিয়ন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্য আকাশপথে কার্গোর মাধ্যমে ই ইউ ভূক্ত দেশে যাবে সে সব পণ্য দ্বিতীয় দফায় তল্লাশি করতে হবে। তল্লাশির জন্য বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্র যুক্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিন্তু ঐ যন্ত্র না থাকায় ১ জুন থেকে  তৃতীয় দেশে পণ্য তল্লাশি করা হচ্ছে।

শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪শ টন কার্গো বিভিন্ন দেশে যায়। যার ৯০ শতাংশই তৈরি পোশাক। বাকী ১০ শতাংশ অন্যান্য পণ্য্। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এক মাসও এ সমস্যার কোন সুরাহা মেলেনি।

শিগগিরই এ সমস্যার সমা্ধান হবে জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী। পণ্যের নিরাপত্তার জন্য ইডিএস ব্যবহারের সিদ্ধান্তের কথা ই ইউ বললেও এর পেছনে রাজনৈতিক কাজ করছে বলে মনে করেন রাশেদ খান মেনন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment