রাইড শেয়ারিংয়ের দেয়া হেলমেট ঝুঁকিপূর্ণ

মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর জন্য হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। যেকোন দূর্ঘটনায় জীবন, বিশেষ করে মাথার সুরক্ষায় এর বিকল্প নেই। অথচ রাজধানীর রাস্তায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে যেসব হেলমেট ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন থাকায়, জীবনের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। এছাড়া, বিভিন্ন রাইড শেয়ারিংয়ের দেয়া নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহারের ফলে আরোহীরাও রয়েছেন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে।

রাজধানীর রাস্তায় রাইড শেয়ারিং অ্যাপের রমরমা বাজারে এখন মোটরসাইকেলের রাজত্ব। কি চালক, কি
আরোহী-সবার মাথাতেই দেখা যায় হেলমেট। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক বাইকে তিনজনের পাশাপাশি হেলমেটবিহীন আরোহীর দেখাও মেলে।

তবে,নির্মাণ শ্রমিক ও
ফায়ার ফাইটাররা সচরাচর যেসব হেলমেট ব্যবহার করেন অধিকাংশ ক্ষেত্রে তেমন হেলমেটেই চোখে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহীর
মাথায়। এ ধরণের
হেলমেট ব্যবহার আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ করে কিনা, অথবা আদৌ তা যাত্রী ও চালককে সুরক্ষা
দিতে সক্ষম কি না,তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

অনুসন্ধান বলছে,
চালকের নিজের হেলমেটটি মজবুত হলেও যাত্রীকে দেয়া হচ্ছে নিম্নমানের…. যা দিয়ে কান,মুখ ও থুতনি কিছুই ঢাকছে না।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির তথ্য মতে,এক বছর আগে রাজধানীতে চার লাখ মোটরবাইক চললেও বর্তমানে এর সংখ্যা পাঁচ লাখের বেশি। এছাড়া, প্রতিদিন নতুন করে নিবন্ধন হচ্ছে গড়ে প্রায় আড়াইশ’ মোটরসাইকেল।

রাইড শেয়ারিংয়ের দেয়া হেলমেটগুলো ঝুঁকিপূর্ণ স্বীকার করে, তাদের ভালমানের হেলমেট ব্যবহারে সতর্ক করা হচ্ছে বলে জানালেন, ট্রাফিক পুলিশের
এই কর্মকর্তা।

তবে আশার কথা, মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও ট্রাফিক পুলিশের কড়াকড়ির কারণে,এখন হেলমেট ব্যবহার করছেন প্রায় সবাই।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author