বর্তমান প্রজন্মের কাছে ‘ঈদ কার্ড’ এখন অতীত

ফারহানা নীলা: বদলেছে সময়। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আসছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন। রঙিনখামে আবেদনময়ি লেখা সেই সময়ের কার্ড পেয়ে ভেতরে যে অনুভূতি তৈরি হতো এখন তা অনেকটাই সাদা কালো। শুভেচ্ছা আদান–প্রদান এখন ডিজিটালের দখলে। ফেসবুকে ঈদ শুভেচ্ছার বার্তাই এখন শুভেচ্ছা জানানোর প্রধান মাধ্যম। এছাড়া সেলফোন থেকে এসএমএস বা এমএমএস 03দিয়েও জানানো হচ্ছে ঈদের শুভেচ্ছা।

একটা সময় ছিল, যখন ঈদ আসলেই কাছের মানুষ বা বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যবহার করা হতো ঈদ কার্ড। সময়ের বিবর্তনে শুভেচ্ছা বিনিময়েও এসেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। বর্তমান তরুণ প্রজন্মের কাছে ‘ঈদ কার্ড’ এখন অতীত। কার্ডের দোকানগুলোতে নেই তেমন কোন ভীড় । এখনো আছে নামকড়া পরিচিত কার্ডের দোকানগুলো। যেখানে খুঁজে পাওয়া গেল কিছু ঈদ কার্ডও। কিন্তু ক্রেতা নেই বললেই চলে।

বিয়ে বা জন্মদিনের নিমন্ত্রণ হিসেবে অর্ডারী কার্ডের ওপরই চলছে এই শো-রুমগুলো। তবে এখনো অফিসায়াল, পেশাজীবী কিংবা দলীয় আমন্ত্রণ কার্ডের মাধ্যমেই শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। সংখ্যায় কম হলেও এখনো কিছু মানুষ সেই ঈদ কার্ডের স্মৃতি ধরে রেখেছেন। তাদের কথা ভেবেই রাজধানীতে আজাদ প্রোডাক্টস (প্রা.) লিমিটেড, আইডিয়াল 04প্রোডাক্টসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ঈদ কার্ড প্রকাশ করে।

ঈদকার্ড প্রকাশ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি;র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদসহ রাজনৈতিক নেতাদের নামে। গেল সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ কার্ডের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের।

এছাড়া বিভিন্ন কর্পোরেট হাউজ, স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল বা এফএম রেডিও-সহ নানা প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ঈদকার্ড ছাপিয়ে তা বিলি করছে।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment