চার গ্রেডে বেতন নির্ধারণসহ ১৮ দফা দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো রাজধানীর মিরপুরের কালশীতে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছে পোশাক শ্রমিকরা। একই দাবিতে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও সাভারেও বিক্ষোভ হয়েছে। গাজীপুরে পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছে দুই সাংবাদিকসহ ২০ শ্রমিক।

সরকার নির্ধারিত ন্যুনতম মজুরি বাস্তবায়ন, বেতন স্কেল সংস্কার ও বকেয়া পরিশোধসহ নানা দাবিতে চতুর্থদিনের মত কালশী সড়কে অবস্থান নেয় মিরপুরের একটি পোশাক কারখানার বিভিন্ন ইউনিটের শ্রমিকরা।

তাদের সবার কণ্ঠেই ছিল বেতন বৈষম্য দূর, চাকরির নিরাপত্তা, নিরাপদ কর্মপরিবেশসহ ১৮ দফা দাবি। এদিকে তাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই কারখানা বন্ধ করে দেয়ায় ক্ষোভ জানান তারা।

নূন্যতম মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে টঙ্গী ও নাওজোড়সহ গাজীপুর বেশ কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকেরা। এসময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে ও লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসময় দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ২০জন শ্রমিক আহত হন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় শতাধিক কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলনে নামে দুটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। পুলিশ সরিয়ে দিলে কারখানার ভেতরে গিয়ে বিক্ষোভ করে তারা।

সাভারে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকপক্ষের লোকদের সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সহিংসতা এড়াতে কয়েকটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার সাভারের ওলাইন এলাকায় সংঘর্ষে পোশাক শ্রমিক সুমনের গ্রামের বাড়ি শেরপুরের শ্রীবরদীতে চলছে আহাজারি। শ্রমিকদের দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author