টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বাংল ওয়াশ

 

ইতিহাস গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। খরা কাটিয়ে রানে ফিরেছে টাইগার ব্যাটসম্যানরা। সেইসঙ্গে স্পিনারদের বোলিং ঘূর্ণিতে দিশেহারা ক্যারিবীয়রা পাত্তাই পায়নি পুরো সিরিজে।

২০০৯ সাল, ক্যারিবীয় দীপপুঞ্জেই স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ নিয়েছিলো বাংলাদেশ। নয় বছর পর এবার দেশের মাটিতে ক্যারিবীয় বধ। ইতিহাস গড়া এই ম্যাচে প্রাপ্তির ঝুলি আরেকটু পূর্ণ করে সাকিব-মুশফিকরা।

মিরপুর টেস্টেই সবচেয়ে বেশি আলো ছড়িয়েছে টাইগাররা। প্রথম ইনিংস শেষে সবচেয়ে বড় ৩৯৭ রানের লিড আর প্রথমবার প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করানোর ইতিহাসও গড়ে সাকিবের দল। নিজেদের ইতিহাসে ইনিংস ব্যবধানে প্রথম জয়ও আসে এই ম্যাচে।

সিরিজে মোট সেঞ্চুরির সংখ্যা ২। যা এসেছে মোমিনুল ও মাহমুদুল্লাহ’র ব্যাট থেকে। এছাড়াও ৬ হাফসেঞ্চুরির তিনটি এসেছে টাইগার ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে। এসবের মধ্যে অন্যতম প্রাপ্তি অভিষিক্ত ওপেনার সাদমান ইসলামের ৭৬ রানের ইনিংস।

সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে খুঁজে না পাওয়া গেলেও, সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার দ্বিতীয়তে আছেন মাহমুদুল্লাহ। ১৫ উইকেট নিয়ে বোলারদের মধ্যে সবার উপরে মেহেদি মিরাজ।

চট্টগ্রাম টেস্টে প্রতিপক্ষের ২০ উইকেটই নিয়েছিলেন টাইগার স্পিনাররা। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই সম্ভবত মিরপুর টেস্টে কোন পেসার ছাড়াই মাঠে নামে বাংলাদেশ। সেই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতেই যেন ক্যারিয়ার সেরা বল করেন মেহেদি মিরাজ। এক ইনিংসে ৭ উইকেট এবং এক ম্যাচে তুলে নেন ১২ উইকেট তুলে নেন তিনি।

মিরপুরেই বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে কম ১১১ রানে অলআউট হয় উইন্ডিজ। আর নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো সিরিজ জয়ের আনন্দে মাতে বাংলাদেশ।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment