রাজধানীর পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ছেলে সালাউদ্দীন আহমেদ তুহিন। স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতি ছিলো যার অনেক বড় স্বপ্ন। বাবা মো: হাবিব উল্লাহ ছিলেন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তুহিনই ছোট।  গেন্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০২ সালে এসএসসি পাশ করে ভর্তি হন সরকারি শহীদ সোহরাওর্দী কলেজে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারন করে কলেজ জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেন সালাউদ্দীন আহমেদ তুহিন।

কলেজের গন্ডি পেরিয়ে ২০০৪-২০০৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেই সময়ে আওয়ামী লীগ বিরোধী দল থাকায় রাজপথই হয়ে উঠে তুহিনের আসল ঠিকানা। ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের সময় বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা পুরান ঢাকায় বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনে দমনে রাজপথে সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন।

এছাড়াও এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনেও ভূমিকা রাখেন তিনি। ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হওয়ায় বিএনপি-জামায়াতের রোশানলে পরতে হয় বিভিন্ন সময়। তারই ফল হিসেবে সোহাগ-জাকির কমিটিতে কেন্দ্রীয় সদস্যও নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতি রুখতে আওয়ামী লীগের সব ধরনের অনুষ্ঠানে সদলবলে উপস্থিত থাকতেন সালাউদ্দীন।

 ২০১৮ সালে সোহাগ-জাকির কমিটি বিলুপ্ত হলে ছাত্রলীগে অনস্বীকার্য অবদান রাখায় সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক পরিচয় পাল্টে দিয়েছেন। ছাত্রলীগ থেকে একেবারে মূল দলে তাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সালাউদ্দিন আহমেদ তুহিন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন সালাউদ্দিন আহমেদ তুহিন।

তিনি স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কলেজে ছাত্র থাকাকালীন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে কাজ করেন। পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির পর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment