বেড়েই চলছে পদ্মার ভাঙন। প্রতিনিয়তই বিলিন হচ্ছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থাপনা।  বুধবার তলিয়ে গেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিও। কয়েক দিনে বিলিন হয়েছে ২শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।  যে কোন সময় ধ্বসে যেতে পারে শত বছরের  পুরোনো একটি বাজার।

ভাঙন আতঙ্কে অনেকে অনত্র সরিয়ে নিচ্ছেন ঘরবাড়ি। স্থানীয়রা বলছেন, এখনই পদক্ষেপ না নিলে পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে শরিয়তপুরের মানচিত্র। আর পানিসম্পদমন্ত্রী বললেন এখনই করার কিছু নেই।

তিলে তিলে গড়ে তোলা বসতঘর কিংবা বাণিজ্যিক স্থাপনা চোখের সামনে বিলীন হওয়ার এ চিত্র এখন নিত্যদিনের। রাত-দিন বসতভিটা, রাস্তাঘাট গ্রাস করছে পদ্মা নদী। দীর্ঘদিন, পদ্মার ভাঙা-গড়ার সঙ্গে যুদ্ধ করছেন শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার বাসিন্দারা। প্রতিবছরই বিলীন হচ্ছে শত শত জনবসতি, ফসলি জমি, হাট-বাজার, লঞ্চঘাট, পাকা সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন স্থাপনা। এ কারণে পাল্টে যাচ্ছে নড়িয়া উপজেলার মানচিত্র।

কয়েক মাসে বিলীন হয়ে গেছে কয়েক হাজার পরিবারের বসতভিটা ও ফসলি জমি। বাণিজ্যিক ভবন, পাকা সড়ক ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার পাশাপাশি বাদ পড়েনি নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও। স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় তীব্র আকার ধারণ করেছে নদীভাঙন।

আর সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু জানান, ভাঙ্গনরোধের চেষ্টা চলছে। জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতবছর নড়িয়া ও জাজিরায় পদ্মা নদী ভাঙনে গৃহহীন হয় ৩ হাজার ৮৯০ পরিবার। আর গত তিনমাসেই নিঃস্ব হয়েছেন সাত হাজারের বেশি পরিবার।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment