নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং প্রযুক্তির উন্নতিতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে বর্ণ, গন্ধ, শব্দহীন অদৃশ্য ঘাতক… তেজষ্ক্রিয়তা। সাধারণভাবে মানুষের একবারে এক মিলি সিভার্টের বেশি রেডিয়েশন গ্রহণ ক্ষতিকর। অথচ প্রতিবার এক্স-রে’তে তেজষ্ক্রিয়তা নির্গমণের পরিমাণ ২০ মাইক্রো সিভার্ট। মাত্রাতিরিক্ত তেজস্ক্রিয় রশ্মির সংস্পর্শে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের আশঙ্কা তৈরি হয় মানবদেহে।

মোবাইল ফোন টাওয়ারের রেডিয়েশনের ফলে টিউমার, ব্রেইন টিউমার, ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব বেড়ে যাচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত। ওয়াইফাই রেডিয়েশন বড় বড় গাছের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। মোবাইল ফোন চালু অবস্থায় প্যান্টের পকেটে থাকলে কমে যায় পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা। ই-বর্জ্যের রেডিয়েশন পানি ও বাতাস বিষাক্ত করে, নষ্ট করে মাটির উর্বরতা। একটানা ৮ ঘন্টার বেশি কম্পিউটারের সামনে থাকলে শরীরের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন বাড়াচ্ছে ডিপ্রেশন ও এলার্জি।

এ অবস্থায় তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষকরা। ল্যাবরেটরি ও শিল্প কারখানায় ডিটেকটর ব্যবহারের পরামর্শ তাদের। সিটিস্ক্যানসহ নানা রকম রেডিয়েশন থেরাপি এড়িয়ে চলার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের। এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের অতিমাত্রায় সতর্ক থাকার আহবানও জানান তারা।

তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব মোকাবেলায় খাবারে আয়োডিন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রখর সূর্যকিরণ এড়িয়ে চলার পরামর্শও দিয়েছেন গবেষকরা।

 

 

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment