কোনোভাবেই পদ্মার ভাঙন থেকে মুক্তি মিলছে না শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলাবাসীর। প্রতিদিনই বিলীন হচ্ছে, বসতভিটা, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। সব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন হাজারো মানুষ। এদিকে, ভাঙনের মুখে থাকায় বন্ধের পথে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। এ অবস্থায়, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা। আর পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ভাঙন রোধে দ্রুতই পদক্ষেপ নেয়া হবে।

তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ছে বিভিন্ন স্থাপনা। গত কয়েক দিনে শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভার ৪টি গ্রামসহ কেদারপুর, মোক্তারের চর ও ঘরিষার ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। পদ্মা নদীতে বিলীন হয়েছে মাহীপাড়া জামে মসজিদ ও কেদারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ৪০টি বসতঘর। বিলীন হয়েছে এক কিলোমিটার সড়ক। হুমকির মুখে রয়েছে মসজিদ ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

ভিটেমাটি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা আশ্রয় নিয়েছেন খোলা আকাশের নিচে। ভাঙন আতঙ্কে অনেকে চেষ্টা করছেন বাড়িঘর সরিয়ে নিতে। ভাঙনের কবলে পড়ে, নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির বিভিন্ন অংশে দেখা দিয়েছে ফাটল।

এদিকে, ভাঙন কবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। গত আড়াই মাসে পদ্মার ভাঙনে, বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার সাড়ে ৬ হাজার পরিবার।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment