রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে একই সঙ্গে চলছে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ। এ পর্যায়ে প্রতিটি স্তরে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সাশ্রয়ী বিদ্যুত নিশ্চিতে জনবলের বেতনসহ প্রকল্প ব্যয় নিয়ন্ত্রণেরও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় রূপপুরে এগিয়ে চলছে দেশের প্রথম পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ। ১২’শ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি ইউনিটের প্রথমটি ২০২২ সালের ডিসেম্বর এবং দ্বিতীয়টি পরের বছরে উৎপাদনে আসবে। গেল ১৪ জুলাই প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের এ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের কনক্রিট ঢালাই উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রকল্পটি দেশের জন্য মর্যাদাপূর্ণ মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। এ পর্যায়ে প্রকল্প ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিয়ে তারা বলছেন, ব্যয় বাড়লে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন কঠিন হয়ে পড়বে।

প্রকল্পের প্রতিটি পর্যায়ে দক্ষ জনবল তৈরির তাগিদ দিয়েছেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো দায়িত্ব বুঝে নেয়া, জ্বালানি পরিবহণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রকল্প ব্যয়, নিরাপত্তা ঝুঁকি, বিদেশ নির্ভরতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচক ও সরকারের বাইরের ব্যক্তিদের দিয়ে খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment