নিয়মনীতি না মেনে প্রতিনিয়ত কাটা হচ্ছে পাহাড়। ফলে ভারসাম্য হারাচ্ছে জীব বৈচিত্র্য; পাহাড় ধসে প্রতি বছরই বাড়ছে প্রাণহানি। গেলো ১০ বছরে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলায় পাহাড় ধসে অন্তত ৪’শ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাহাড় রক্ষায় পর্যাপ্ত বনায়ন, অপরিকল্পিত চাষাবাদ বন্ধ ও বসতি বন্ধের পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

ঝুঁকিতে দেশের পার্বত্য অঞ্চল। নানা কারণে দেশের ৫০ভাগ পাহাড় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। নির্বিচারে পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন এবং বন উজাড়ের কারণেই চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ধসে পড়ছে পাহাড়। এছাড়া মিয়ামমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ  রোহিঙ্গার কারণে কক্সবাজার ও বান্দরবান অনেক পাহাড় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

মাবনসৃষ্ট দুর্যোগগুলোর অন্যতম ভূমিধস। পাহাড়ের পাদদেশে মাটি কাটা, পাহাড়ের চূড়া ও ঢালে ঘরবাড়ি তৈরি, ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জুম চাষসহ নানা রকম অপরিকল্পিত চাষাবাদের কারণে পাহাড় ধস হচ্ছে।

পাহাড় এবং পাহাড়ি ঝর্ণাগুলো রক্ষার জন্য গাছ রক্ষার তাগিদ দিয়েছেন গবেষকরা। পাহাড় রক্ষা ও পাহাড় ধসে দুর্ঘটনা কমাতে বনায়নের বিকল্প নেই। অবশিষ্ট পাহাড়গুলো সংরক্ষিত ঘোষণা করা উচিত বলেই মনে করেন গবেষকরা।

 

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment