আছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, সুযোগ রয়েছে বিনা খরচে ওরাল সার্জারি করার। নেই শুধু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকবল। এমন অবস্থা সরকারি ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে। শুন্য পদে ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ হলে এ সঙ্কট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

স্বল্প খরচ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে প্রতিদিনই নতুন রোগী আসছেন সরকারী ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে। রোগীর অনুপাতে ডাক্তার খুবই সামান্য। ইমারজেন্সি বিভাগে ডাক্তার বসাতে হচ্ছে অন্য বিভাগ থেকে এনে।

সম্পুর্ণ বিনা খরচে ওরাল সার্জারিতে হাসপাতালটি এরই মধ্যে মাইলফলক রচনা করেছে। তবে হাসপাতালে আসনের মতই চিকিৎসক ও নার্সও অপ্রতুল। প্রতিদিন বেশ কয়েকটি অপারেশন হয়। অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞের অভাবেভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা।

দেশের একমাত্র সিবিসিটি মেশিনটি এই ডেন্টাল হাসপাতালেই। ঘন্টায় ৮০ জনের রক্ত পরীক্ষার জন্য রয়েছে ইএসআর অটোমেশিন। এছাড়া এমআরআই, সিটিস্ক্যানসহ বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের অত্যাধুনিক যন্ত্র থাকলেও অভাব রয়েছে বিশেষজ্ঞের।

জনবল সঙ্কটে অব্যবহৃত রয়েছে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১০ বেডের আইসিইউ ইউনিট। ব্যবহারের অভাবে যে কোন সময় নষ্ট হতে পারে এর যন্ত্রপাতিগুলো।

লোকবল নিয়োগ, ডাক্তার নার্সদের উন্নত প্রশিক্ষণসহ সার্বিক সমস্যা সমাধানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি। এ হাসপাতালে ডাক্তার নিয়োগে কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে। ফলে উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment