ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২টি টেস্ট এবং ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করে দেশের ফেরার অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল। টেস্টে আলো ছড়াতে ব্যর্থ হলেও, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে উজ্জীবিত লাল-সবুজের দল। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত অর্জনেও ক্যারিবিয়দের চেয়ে এগিয়ে তামিম-সাকিবরা।

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর। সাদা পোশাকের ওই লড়াইয়ে একেবারেই রঙহীন টাইগাররা ব্যাটিং ব্যর্থতায় উইন্ডিজের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। যেখানে ২৩৯ রান নিয়ে সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ক্রেইগ ব্রাথওয়েট, সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৮ রান করেছেন সাকিব আল হাসান।

ব্যাট হাতে না হলে, বোলিংয়ে মোটামুটি সাফল্য পেয়েছে টাইগাররা। ৭ উইকেটের বেশি পাওয়া ৫ বোলারের তিনজনই বাংলাদেশের। ১০ উইকেট নিয়ে তালিকার দুই নম্বরে আছেন মেহেদি মিরাজ।

টেস্টে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ক্যারিবিয়দের মুখোমুখি হন সাকিব-তামিমরা। মাশরাফি মন্ত্রে পাল্টে যায় চিত্র। দাপট দেখিয়েই ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ব্যাটিং-বোলিং, দুই বিভাগেই ক্যারিবিয়দের ঢের পেছনে ফেলেছে টাইগাররা। ৭ উইকেট নিয়ে মাশরাফি ও ২৮৭ রান নিয়ে শীর্ষ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ভার্সন টি-টোয়েন্টির অপ্রতিরোধ্য দল বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দাপটের সঙ্গেই বধ করেছে টাইগাররা। সিরিজ জেতে ২-১ ব্যবধানে। শুধু দলীয় নয়, ব্যক্তিগত অর্জনেও আলো ছড়িয়েছে বাংলাদেশ। ১০৩ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব আর ৮ উইকেট নিয়ে শীর্ষ উইকেট শিকারি মুস্তাফিজ।

টেস্টে না হলেও, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি রেঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে সাকিব-তামিম-মাহমুদুল্লাহ ও লিটনের। বোলিংয়েও এগিয়েছেন মাশরাফি-সাকিব ও নাজমুল।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment