আজ বাইশে শ্রাবণ; বিশ্বকবি বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭তম প্রয়াণ দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাকোর ঠাকুর পরিবারে জন্ম নেয়া এ গুণীর হাতে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ, পায় বিশ্বখ্যাতিও। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। সৃষ্টি যে নশ্বর জীবনকে অবিনশ্বর করে, তা তিনি বিশ্বাস করতেন। আর তাই রেখে গেছেন অসামান্য সব সৃষ্টি। মিশে আছেন বাংলার সংস্কৃতি, প্রকৃতি এবং বিশ্ব মানবতায়।

শ্রাবণের অঝোর ধারা বার বার মনে করিয়ে দেয়, এমনই একদিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলে গেছেন না ফেরার দেশে। বাংলা ১৩৪৮ সালের এই দিনে জন্মস্থান কলকাতার জোড়াসাকোর ঠাকুর বাড়িতে মহাপ্রয়াণ ঘটে এ শিল্প স্রষ্টার।

শুধু কবি কিংবা ঔপন্যাসিক নন; তিনি একজন সংগীত স্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, অভিনেতা, কন্ঠশিল্পী, দার্শনিক নানা অভিধায় দীপ্তমান। তার লেখনী মানব মুক্তির বারতায় উদ্ভাসিত।

বাঙালি সংস্কৃতির ভীত তৈরি করে গেছেন রবীন্দ্রনাথ। ১৯৩৮ সাল থেকে আজ পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাহিনী, গান ও সুরে মুখরিত বাংলা চলচ্চিত্র জগত। তার গান চির নতুন চির সবুজ।

বরীন্দ্রনাথ তার সৃষ্টিতে বার বার ফিরে আসেন। সৃষ্টির জন্য তার কাছে চির কৃতজ্ঞ বাঙালি জাতি।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment