প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আট বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন। অথচ বছরে কয়েকশ’ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হচ্ছে এ বন্দরকে ঘিরে। তারপরও টিন সেডের ঘরে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে দেশের স্থল বন্দরের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভোমরার উন্নয়নের দাবি ব্যবসায়ীদের।

১৯৯৬ সালের ১৫ মে ভোমরা ইমিগ্রেশন পয়েন্ট শুল্ক ষ্টেশনের অনুমোদন পেয়ে আমদানি রপ্তানি কার্য্যক্রম শুরু হয়। আড়াই কোটি টাকা থেকে রাজস্ব আদায় ৮ শ’ কোটি টাকায় উন্নিত হলেও বন্দরের কাস্টমস্ এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। টিনসেডের ঘরে বসেই কাজ করতে হচ্ছে কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের।

এছাড়া রাস্তাঘাট চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বর্ষায়  হাটু পানিতে কাজ করতে হয় বন্দর সংশ্লিষ্টদের। তার পরও  আড়াই কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্র নিয়ে শুরু হওয়া ভোমরা শুল্ক ষ্টেশনে গত অর্থ বছরে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৭শ’ ৯৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের সঙ্গে সব পন্য আমদানি হলে এ বন্দরের রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০১০ সালের ২৩ জুলাই সাতক্ষীরা সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভোমরা বন্দরকে পূর্নাঙ্গ বন্দরে রপান্তরের ঘোষনা দিয়েছিলেন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment