সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা-যোগাযোগ ও সংস্কৃতি বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘বাঙালি মানসে তুর্কি বিপ্লবের প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনার। শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের হল রুমে আয়োজিত এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। আলোচনায় তুর্কি স্কলারশিপ ফেলো ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সরোজ মেহেদী বলেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির রক্ত চক্ষু আর অস্ত্রের ঝনঝনানিকে পরাজিত করেও যে স্বাধীনভাবে বাঁচা যায় তা বিংশ শতাব্দীতে তুর্কিরা পুরো পৃথিবীকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখায়। ফলে তুর্কি বিপ্লব ও তার প্রধান রূপকার মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক পাশার সুনাম ও প্রভাব তখন ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যাপী। বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বে তিনি চলে আসেন আলোচনা ও তর্ক-বিতর্কের শীর্ষে।

ভাষা-যোগাযোগ ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মনসুর মুসার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন সাংবাদিক সোহরাব হাসান।

তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ বিশেষ করে মুসলিমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখছিল সে সময়। যা হবে আধুনিক ও মানবিক একটি দেশ। কিন্তু তাদের সামনে কোনো মডেল ছিল না, ছিল না প্রেরণা নেওয়ার মতো কোনো নাম। কামাল পাশা একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে দেখান যে সদিচ্ছা আর সাহস থাকলে স্বাধীনভাবে বাঁচা যায়।

বিভাগের শিক্ষক কায়েস আহমেদের সঞ্চালনায় প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইকবাল জোবেরী, অধ্যাপক আমজাদ হোসেন,অধ্যাপক করম নেওয়াজ, ড. কৃষ্ণা ভদ্র, ড. ফুয়াদ হোসেন, সুজন মিয়া, কবি ইমরান মাহফুজসহ অনেকেই।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment