সীমান্তের অবৈধ পথের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বেড়েছে স্বর্ণ চোরাচালান। মাঝে মধ্যে কিছু চালান আটক হলেও অধিকাংশই থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অভিযোগ উঠেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণেই এ রুটে স্বর্ণ চোরাচালান বাড়ছে। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, জনবল বৃদ্ধি ও স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ থাকলে পাচার রোধ সম্ভব।

যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টকে চোরাচালানীরা নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে। খুব সহজেই এ সীমান্তের রেলপথ, স্থলপথ আর জলপথে হচ্ছে স্বর্ণ চোরাচালান। স্বর্ণ বহনকারীরা আটক হলেও  গডফাদাররা থাকছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

একসময় পাচারকারীরা ব্যাগেজে স্বর্ণ বহন করলেও বর্তমানে কৌশল পাল্টেছে। বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারতীয়দের ব্যবহার করা হচ্ছে এ কাজে।

সন্দেহ বেশি হলে তাদের কখনো ১০ কিলোমিটার দূরে নাভরণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এক্সরে মেশিন দিয়ে শরীর পরীক্ষা করা হচ্ছে। এতে অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।

স্বর্ণপাচারকারী গডফাদাররা খুব ধূর্ত হওয়ায় তাদের আইনের আওতায় আনা কষ্টকর বলে জানান, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।  আর কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা অফিসের কর্মকর্তারা বললেন, স্বর্ণ পাচার প্রতিরোধে আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের অধীনস্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১৮ কেজি ১০৯ গ্রাম স্বর্ণের বার আটক হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় নয় কোটি ১০ লাখ টাকা। এসময় আটক করা হয় বিভিন্ন দেশের ২৫ নাগরিক।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment