শুক্রবার রাতের আকাশে এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য ব্লাড মুনের দেখা মিলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কোটি মানুষের সাথে  বিরল এই চন্দ্রগ্রহণ উপভোগ করেছে বাংলাদেশের মানুষও। অভাবনীয় মহাজাগতিক এ দৃশ্য উপভোগ করতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে মধ্যরাতে ভিড় করেন অসংখ্য দর্শনার্থী।

শতাব্দীর দীর্ঘতম এই  চন্দ্রগ্রহণে মূলত সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই সরলরেখায় চলে আসে। ফলে পৃথিবীর পরোক্ষ ছায়ায় চাঁদকে রক্তিম দেখায়। এজন্যই এ চাঁদকে ডাকা হয় ‘ব্লাড মুন’ নামে।

ঢাকার আকাশে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয় রাত ১১টা ১৩ মিনিটে। শেষ হয় ভোর সাড়ে ৫টাঁয়। তবে দেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় খালি চোখে দেখা সম্ভব হয়নি বিরল এই চন্দ্রগ্রহণ।

দীর্ঘতম এই চন্দ্রগ্রহণ টেলিস্কোপের মাধ্যমে দেখানোর উদ্যোগ নেয় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর কর্তৃপক্ষ।  সৃষ্টির বিশাল এক বিস্ময় দেখতে পেয়ে নিজেদের অনুভূতি তুলে ধরেন দর্শকরা।

পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প, সেমিনারের মধ্যদিয়ে জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের বিরল চন্দ্রগ্রহন সম্পর্কে ধারণা দেন। একশ বায়ান্ন বছর পর বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে দেখা গেছে সুপার ব্লাড মুন বা পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। যা আবার দেখা যাবে ১০৫ বছর পর, ২১২৩ সালে।

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment