গাছ কেটে বন উজাড় করে নোয়াখালীর উপকূলীয় সবুজ বেস্টনী ধ্বংস করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে এ কাজে জড়িত বনদস্যু ও ভূমি দস্যুরা। এতে করে প্রকট আকার ধারণ করেছে নদী ভাঙ্গন। ভেঙ্গে  যাচ্ছে বেড়িবাঁধ। হুমকির মুখে পড়েছে চরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা। অন্যদিকে দস্যুদের ভয়ে অনেকটা নিবার্ক বন বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসন।

ঝড়-জলোচ্ছাসসহ প্রাকৃতিক দুযোর্গ থেকে রক্ষা এবং নতুন চর বসবাসের উপযোগী করার জন্য নোয়াখালীতে ১৯৬৭ সাল থেকে ক্রমান্বয়ে গড়ে তোলা হয় উপকূলীয় সবুজ বেস্টনী। জেলায় মোট বনভূমি রয়েছে ২ লাখ ৭৫  হাজার একর। একশ্রেনীর ভূমিদস্যু ও বনদস্যু গাছ কেটে বন উজাড় করার ফলে বদলে যাচ্ছে চরবাসীর জীবন-জীবিকা। নষ্ট হচ্ছে বাস্তু সংস্থান। ধ্বংস হচ্ছে জীব বৈচিত্র।

বনকে বরা হয়ে থাকে উপকূলবাসীর প্রাকৃতিক রক্ষা কবচ। চন যে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগের আঘাত সহ্য করে রক্ষা করে চরবাসীকে।

বন উজাড় করার কারনে গেল কয়েক বছরে প্রকট আকার ধারণ করেছে নদী ভাঙ্গন। হারিয়ে যাচ্ছে ফসলী জমি। নদীতে বিলিনের শঙ্কায় নতুনভাবে জেহে উঠা কয়েকটি চর।

স্থানীয়দের অভিযোগ বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতির সুযোগে ইতোমধ্যে চুরি হয়ে গেছে কয়েক কিলোমিটার বেড়িবাঁধের এলাকার গাছ।

নিজে গাছ কাটার কথা অস্বীকার করে অভিযুক্তরা দায় চাপাচ্ছেন সাধারন মানুষের ওপর। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে বন দস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেন জেলা বন কমর্কর্তা।

নোয়াখালীতে সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে ৭২ হাজার একর এবং বেঁড়িবাঁধ আছে ৩২১ কিলোমিটার।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment