গত কয়েক বছরে স্নায়ুবিজ্ঞানীরা অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। তারা মানুষের স্মৃতির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশকে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। মানব মস্তিষ্ক ঠিক কিভাবে কোন স্মৃতি বা তথ্য জমিয়ে রাখে,তারও একটা কাঠামো তারা তৈরি করেছেন। গবেষণাটি যদি সফল হয় তবে আলঝেইমার রোগীসহ অন্যান্য মানসিক রোগীদের জন্য সুখবর বয়ে আনবে। এছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার প্রবণতাও কমে যাবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়। এর মাধ্যমে বয়সজনিত কারণে স্মৃতিভ্রংশের হাত থেকে হয়তো কিছুটা রেহাই মিলবে মানুষের। এ বিষযে গত কয়েক বছর ধরে গবেষণায় অর্থায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স অ্যাডভান্স রিসার্চ প্রজেক্ট এজেন্সি।

গত মাসে দুটি গবেষক দল রোগীর স্মৃতি বাড়াতে পরীক্ষা চালায়। আঘাত পাওয়া বেশকিছু মানুষের মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠিয়ে সফল হন বিজ্ঞানীরা। আঘাতপ্রাপ্তদের স্মৃতি গড়ে ১৫ ভাগ বেড়ে যায় এতে। এ হারের মাত্রা খুব বেশি না। কিন্তু এ ১৫ ভাগই একজন ১৮ বছর বয়স্ক মানুষের মস্তিষ্কের সমান কাজ করতে সক্ষম। যা ৪৩ বছর বয়সী একজন মানুষের মস্তিষ্ককে ২৫ বছরে নিয়ে আসার মতো-এমনটাই জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিএআরপিএ

তবে, এ গবেষণার ফল উল্টো হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। প্রতিস্থাপিত মস্তিষ্ক হ্যাক করে নেয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তবে, গবেষণাটি পুরোপুরি প্রয়োগ সম্ভব হলে, মানুষের কাছে এর চাহিদাও বেড়ে যাবে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে, হাজার হাজার আলঝেইমার রোগীর জন্য এ প্রযুক্তি আশার আলো হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment