কয়লা সঙ্কটের কারনে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় ৩টি পাওয়ার প্লান্ট বন্ধ রয়েছে। এদিকে কয়লা চুরির ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি ও বড়পুকুরিয়ার শ্রমিকেরা। অন্যদিকে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এরইমধ্যে চার কমর্কতার্কে বহিস্কার করে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া খনির উৎপাদিত কয়লাকে ঘিরে পাশেই গড়ে তোলা হয় দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কিন্তু খনি কর্তৃপক্ষ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানীর জন্য মজুদ না রেখেই কয়লা বিক্রি করে দেয়। একারনে ৩টি ইউনিটের মধ্যে ১টি চালু থাকলেও কয়লার অভাবে সেটিও বন্ধ হয়ে যায় রোববার রাতে।

কয়লা সঙ্কট ও অনিয়মের কারণে কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. হাবিব উদ্দিন আহমেদ ও খনির সচিব আবুল কাশেম প্রধানিয়াকে প্রত্যাহর করে পেট্রোবাংলা। এছাড়া খনির মাইনিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা এটিএস নুরুজ্জামান চৌধুরী ও জিজিএম মো. খাদেমুলকে বাহিষ্কার করা হয়।

এদিকে অনিয়ম ও দুনীর্তির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন শ্রমিকরা। তবে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল হাকিম সরকার জানিয়েছেন, দেশের একমাত্র তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হলেও এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের কোন সমস্যা হবে না।

কয়লা খনির ভূ-গর্ভের ১২১০ নং ফেসের কয়লা উত্তোলন জুলাই শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আবার উত্তোলন করতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কতর্র্পক্ষ।

 

 

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment