নদী ভাঙনে বিলীন হচ্ছে গাইবান্ধা জেলার ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমি। এতে বাড়ছে ভূমিহীনের সংখ্যা, ছোট হয়ে আসছে জেলার আয়তন। গেল ৯০ বছরে শুধু সদর উপজেলার প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকা গিলে খেয়েছে নদী। সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চিত্রও একি রকম। বিভিন্ন প্রকল্প করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তার ভাঙন।

নদী ভাঙন কবলিত জেলাগুলোর মধ্যে গাইবান্ধা একটি। সদর, সাঘাট, ফুলছড়ি, ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবছর বন্যা ও উজানের ঢলে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তার ভাঙনে বিলীন হয় হাজারও ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমি। নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন-যাপনে বাধ্য হয় নদী ভাঙনের স্বীকার মানুষগুলো।

এতে একদিকে যেমন ভূমিহীনদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তার অব্যাহত ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে গাইবান্ধা জেলার আয়তনও।

ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষায় অনেকে বাড়িঘর ভেঙ্গে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। আবার অনেকে নি:স্ব হয়ে আশ্রয় নিয়েছেন অন্যের জায়গায়।

জেলা পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পে প্রায় ৭শ কোটি টাকা ব্যয় করেও ঠেকানো যায়নি নদী ভাঙন।

বিশেষজ্ঞদের মতে নদী ভাঙা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে দরকার পরিকল্পিত স্থায়ী পদক্ষেপ।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment