আমৃত্য জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয়

আমৃত্যু জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় জানিয়েছেন ঢাকা ১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার। পাশাপাশি নিজ এলাকায় ঈর্ষণীয় উন্নয়ন তথা জঙ্গি-সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে সহযোগিতার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রাতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি।

নিরীহ মানুষকে জ্বালাও পোড়াওয়ের হাত থেকে রক্ষায় সবসময় এমনই সোচ্চার ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিসহ দেশবিরোধী সব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মিদের সঙ্গে নিয়ে তার শক্ত অবস্থান ছিলো রাজপথে।

স্কুলের গণ্ডি পেড়নোর আগেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রতিবাদে সবার আগে কামাল মজুমদারের নেতৃত্বেই শুরু হয় আন্দোলন। এরই ধারাবহিকতায় তিনি প্রকাশ করেন মুজিব কণ্ঠ নামে একটি পত্রিকা। রাজনীতির পট পরিবর্তনে ১/১১-এর পর সর্বপ্রথম গ্রেফতার হন কামাল মজুমদার।

বিনা দোষে বিভিন্ন মেয়াদে অন্তত ৭ বছর কারাভোগ করেছেন কামাল আহমেদ মজুমদার। সে সময় গুড়িয়ে দেয়া হয় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তবুও থেমে থাকেননি অবিসংবাদিত এ নেতা। সর্বস্ব বিক্রি করে মানুষের সুখে দুখে পাশে থেকেছেন।

১৯৯৩ সালে বৃহত্তর মিরপুরের সংসদ উপ-নির্বাচনে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ছিনিয়ে নেয়া হয় তার নিশ্চিত বিজয়। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই চমক আনেন বৃহত্তর মিরপুরের উন্নয়নে। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, মাদকের ভয়ঙ্কর থাবা থেকে নিজের এলাকা রক্ষায় এখনো তিনি অতন্দ্র প্রহরী।

এলাকার উন্নয়নে তার অবদান দেশজুড়েই স্বীকৃত। তবে এ সব কিছুর জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দলের নেতাকর্মিসহ সাধারণ মানুষকে।

তিনি শ্রেষ্ঠ রফতানিকারক হিসেবে ৫ বারের সিআইপি পদক অর্জনকারী। এছাড়া সমাজসেবক হিসেবে স্বর্ণপদকসহ দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন কামাল আহমেদ মজুমদার। সব ছাপিয়ে তার চিন্তা-চেতনায় মিরপুরের আরো উন্নয়ন করা।

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment