কামাল মজুমদারের স্পর্শে পাল্টে গেছে কাফরুলের চিত্র

সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদারের স্পর্শে পাল্টে গেছে রাজধানী কাফরুলের চালচিত্র। উন্নয়নে এসেছে চমক। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাস্তা সম্প্রসারণ, পানির পাম্প স্থাপনসহ এলাকাটিকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও জঙ্গিবাদমুক্ত করে হয়েছেন জননন্দিত। উন্নয়নের রূপকার এমন সংসদ সদস্য পেয়ে নিজেদের গর্বিত মনে করছেন এলাকাবসি।

বিএনপি-জামাত জোট সরকারের অবহেলায় উন্নয়ন বঞ্চিত এলাকাটিতে সংসদ সদস্য হিসেবে আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই গতি আসে উন্নয়নে। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

বিগত দিনের দখলকৃত ৫ ফুটের অসংখ্য অলিগলি আজ ২০ ফুটে দৃশ্যমান। যেখানে একটি মানুষের লাশের খাটিয়া বহন করা দায় ছিল সেখানে আজ অ্যাম্বুলেন্সসহ বড় বড় গাড়ি চলছে। কামাল মজুমদারের এমন মহৎ পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে সেচ্ছায় যায়গা ছেড়েছেন দখলদাররা। মহল্লাগুলো আজ অনেকটাই পানিবন্দিদশার অভিশাপমুক্ত।

অন্যদিকে বিশুদ্ধ পানি সঙ্কট মোকাবেলায় অনেক পাম্প স্থাপনের সঙ্গে কামাল মজুমদারের উদ্যোগেই এবার পশ্চিম সেনপাড়ায় যোগ হচ্ছে আরেকটি নতুন  পাম্প।

নগরীর যানজট মোকাবেলায়ও তার অবদান রয়েছে। নিজ উদ্যোগে আগারগাঁও পর্যন্ত ৬০ ফিট রাস্তা করায় চাপ কমেছে রোকেয়া সরণি রোডের। বেড়েছে মানুষের জীবনযাত্রার মান। মিরপুর ১০ থেকে ভাষাণটেক পর্যন্ত ১০০ ফিটের রাস্তা এসেছে কামাল মজুমদারের হাত ধরেই।

সংসদসীয় এলাকার অনেক স্থানেই ফুটওভার ব্রিজের ব্যবস্থা করেছেন কামাল মজুমদার। বিশেষ করে যা বেশি কাজে আসছে শিক্ষার্থীদের জন্য।

কাউন্সিলরদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াশা, রাজউক ও তিতাসের সমন্বয়হীনতার কারণে তার এলাকায় জলাবদ্ধতাসহ কোন সমস্যা দেখা দিলেই দ্রুত সমাধানে চাপ প্রয়োগ করেন কামাল মুজমদার।

এলাকাবাসি গর্ব করে বলছে কামাল মজুমদারের নির্বাচনি এলাকার কোন খাল আজও বেদখল হয়নি। নতুন বাড়ি করতে কিংবা ব্যবসা প্রসারে কাফরুলে কাউকে চাদা দিতে হয়না। পুরো এলাকাই মাদকমুক্ত, আতঙ্ক নেই জঙ্গিবাদের।

তবে এলকাবাসিও প্রতিদান দিয়েছেন কামাল মজুমদারের উন্নয়ন অবদানের। দক্ষিণ পিরেরবাগে নিচু জমিকে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলায় এলাকার জনগন স্থানটির নাম দিয়েছেন কামাল নগর।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment