ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্রমইে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে টার্কি মুরগীর পালন। তিন বছর আগে যাত্রা শুরুর পর অধিক লাভজনক হওয়ায় অনেকেই ঝুঁকছেন এ পেশায়। টার্কির খামার গড়ে একেকজন মাসে আয় করছেন এক থেকে দেড় লাখ টাকা। প্রানি সম্পদ বিভাগ বলছে খামারীদের প্রশিক্ষণ জরুরী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিনাইর গ্রামের বিদেশ ফেরত ইকরামের জীবন বদলে দিয়েছে টার্কির খামার। বেকারত্ব ঘোচাতে স্ত্রীর সহযোগিতায় ২০টি দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এখন তার খামারে টার্কির সংখ্যা ৩শ’। মাসিক আয় হচ্ছে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। এতে করে পরিবারটি এখন অর্থনৈতিকভাবে অনেকটাই স্বচ্ছল। একটি টার্কি সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১২ কেজি হয়ে থাকে। বয়লার মুরগীর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কৃত্রিম খাবারের প্রয়োজন হলেও টার্কির ক্ষেত্রে তা পড়ে না।

ইকরামের সফলতায় অনেক যুবকই এখন খামারের দিকে আগ্রহী হয়ে উঠছে। একইভাবে জেলার ২৬টি খামারে বর্তমানে ৫ হাজার ৬শ ৪২টি টার্কি পালন হচ্ছে।

টার্কি পালনের মাধ্যমে মাংসের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে প্রত্যাশা প্রাণিসম্পদ বিভাগের।

টার্কির মাংস খেতে সুস্বাদু এবং পুষ্টি গুন সমৃদ্ধ। বিশেষ করে কোলেষ্ট্ররেলমুক্ত ও চর্বি না থাকায় টার্কির মাংসের চাহিদা দিন দিনই বাড়ছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment