হঠাৎ করেই অস্থিতর হয়ে উঠেছে কুষ্টিয়া ও দিনাজপুরে চালের বাজার। ব্যবসায়ীরা বলছেন বাজেটে চালের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব এটি। আর বাজারমুল্য উর্ধ্বমুখির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভোক্তা পর্যায়ে। আমদানি চালের দামের পাশাপাশি প্রভাব পড়ছে দেশি চালের উপরেও।

উঠতে শুরু করেছে নতুন ধান, আর এসময়ে চালের বাজার কিছুটা হলেও নিন্মমুখি থাকবে এমনটিই প্রত্যাশা ভোক্তাদের। বাজারে নতুন ধান উঠেছে ঠিকই, তবে আশানুরুপ কমেনি দাম। এ জন্যে সদ্য নতুন অর্থবছরের বাজেটে আমদানিকৃত চালের ওপরে শুল্ক আরপকে দূষছেন ব্যবসায়ীরা। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশি চালের ওপরও।

কুষ্টিয়ার খাজানগরের মিল মালিকরা বলছেন, আমদানি করা চালে শুল্ক বৃদ্ধি আর বৃষ্টির কারনেই দাম বাড়ছে। আর ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরণের দেশি চালেও মূল্য বেড়েছে কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা।

তবে মিল মালিক সমিতির নেতারা বলছেন চালের উপর শুল্ক বৃদ্ধির ফলে কৃষক ও ক্ষতিগ্রস্থ মিলাররাই লাভবান হবেন বেশি।

এদিকে, দিনাজপুরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি বস্তা মিনিকেট চালে দাম বেড়েছে ২শ’ টাকা। আর পাইকারী ব্যবসায়ীদের দাবি মিলাররাই কেজিতে রাখছেন ৭ থেকে ৮ টাকা বেশী। মিলারদের বিরুদ্ধে চাল মজুত রাখারও অভিযোগ করেন তারা। চালের বাজার নিয়ন্ত্রনে রাখতে ওএমএস চালুর পাশাপাশি বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment