পাস হলো ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট। মঞ্জুরি দাবি ও ছাটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা। মঞ্জুরি দাবি নিষ্পত্তি শেষে ৫ লাখ ৭১ হাজার ৮৩৩ কোটি ৮২ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয় বরাদ্দের নির্দিষ্টকরণ বিল উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতভাবে তা অনুমোদন করে সংসদ। পয়লা জুলাই থেকে নতুন এ বাজেট কার্যকর হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হয় সংসদ অধিবেশন। শুরুতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মঞ্জুরি দাবি উপস্থাপন, ছাটাই প্রস্তাব, প্রতীকী ছাটাই ও মিতব্যয়ী ছাটাইয়ের ওপর আলোচনা হয়। এ নিয়ে কথা বলেন মন্ত্রী ও সদস্যরা।

বাজেটে প্রস্তাবিত দায়মুক্ত ব্যয় ব্যতিত অন্যান্য ব্যয় সম্পর্কিত মোট চার লাখ ২৫ হাজার ৬৮৬ কোটি ১৯ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি নিষ্পত্তি হয়। এছাড়া সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। কণ্ঠভোটে এসব দাবি অনুমোদন দেয় সংসদ।

পরে, এসব দাবির প্রেক্ষিতে সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণে বিল উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। স্পিকার তা ভোটে দিলে সর্বসম্মতভাবে নির্দষ্টকরণ বিল, ২০১৮ গ্রহণ করা হয়। এরমধ্য দিয়ে পাস হলো ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেট।

গেলো ৭ জুন চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। এতে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয় ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। আর এডিপির আকার ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয় ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে এবার বড় বাজেট হলেও, ব্যাংকিং খাত নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন অর্থমন্ত্রী।

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment