কিং অব পপ মাইকেল জ্যাকসনের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।  বিশ্বের কোটি ভক্তকে কাদিঁয়ে ২০০৯ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সঙ্গীত ভুবনের এই মহাতারকা। বিশ্ব সঙ্গীতাঙ্গনে যত নক্ষত্রের আগমন ঘটেছে তাদের মধ্যে মাইকেল জ্যাকসনের অবদান নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা।

মাইকেল জ্যাকসন। বৈচিত্র্যময় জীবন, সঙ্গীত পরিবেশনায় ভিন্ন স্টাইল, বিস্ময়কর নাচের মুদ্রা যার কপালে এঁকে দিয়েছে বিশ্বসেরা পপস্টারের খ্যাতি- সেই কিং অব পপের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট। যুক্তরাষ্ট্রের গ্যারি ইন্ডিয়ানার এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়া মাইকেলের বেড়ে ওঠাও তাই সাদাসিদেভাবে। সংসারে প্রাচুর্য না থাকলেও পরিবারে গান-বাজনার আবহটা ছিল ভালই।

ভাইদের নিয়ে গড়া ব্যান্ড ‘জ্যাকসন ফাইভের ব্যানারে ১৯৭১ সালে বের হয় তার প্রথম এ্যালবাম। সেই শুরু, এরপর আশির দশকে বিট ইট, বিলি জিন, থ্রিলারের মতো অসাধারণ কিছু গান দিয়ে  জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে আসেন মাইকেল জ্যাকসন। ৯০ এর দশকে ডেন্ঞ্জারাস, রিমেম্বার দ্যা টাইম, আর্থ সং, ব্ল্যাক অর হোয়াইট এমন অসংখ্য বিখ্যাত গান আর ‘থ্রিলার’ আর ‘ব্যাড’ এর মতো অ্যালবাম  তাকে নিয়ে যায় অনন্য উচ্চতায়।

জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে বিশ্বব্যাপী তার গান, নাচ ও ফ্যাশনে আবিষ্ট ভক্তরা। তার মিউজিক ভিডিও, স্টেজ পারফরমেন্স,  রোবট, মুনওয়াক, ডিস্কো, কনটেম্পরারি, হিপহপ ড্যান্স আজও ব্যাপক জনপ্রিয়।

সঙ্গীতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বহুবার পেয়েছেন গ্র্যামী, অ্যামিসহ অসংখ্য পুরস্কার। আর বিশ্ব মানবতার জন্য পেয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষ পুরস্কার।

কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে ২০০৯ সালের ২৫ জুন 51 বছর বয়সে পরলোকে পাড়ি জমান কিংবদন্তী এই শিল্পী। তার মৃত্যু আজো এক রহস্য।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment