নাব্যতা সংকট, নৌ-যানের সিগন্যাল বাতি অকেজো। এসব কারনে পটুয়াখালী-ঢাকাসহ আভ্যন্তরীণ রুটে নৌ-যান চলাচল ব্যহত হচ্ছে। তারপরও প্রয়োজনের তাগিদে ঝুঁকিপূর্নভাবে চলাচল করছে ছোটবড় নৌযান। কর্তৃপক্ষের কাছে এসব রুটের ১১টি পয়েন্টে ড্রেজিং ও সিগন্যাল বাতির সুপারিশ করা হলেও তার কোন জবাব মিলেনি এখনও। এ কারণে ভরা বর্ষায় নৌদুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে নৌযান সংশ্লিষ্টরা।

নদীমাতৃক দক্ষিনের জেলাগুলোয় অল্প খরচে আরামদায়ক ভ্রমন ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম নৌপথ। তাই বরগুনা-পটুয়াখালীর মানুষ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতে ব্যবহার করে নৌ-পথ। এ কারনেই পটুয়াখালী-ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে চলাচল করে ছোট বড় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি লঞ্চসহ অর্ধশতাধিক নৌ-যান। বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে যাত্রী এবং পন্য পরিবহনে বেড়ে যায় নৌযান।

নদী ভাঙ্গন ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে পলি পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে এসব নৌপথ। নাব্যতা সংকটে ডুবোচরে আটকে ব্যাহত হচ্ছে নৌ-যানের স্বাভাবিক চলাচল। মাঝ নদীতে প্রায়শই ডুবোচরে আটকে যায় নৌ-যান।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে সিগন্যাল বাতি বিকল থাকায় ঘটছে বিভিন্ন দুর্ঘটনা। সকল সমস্যা উল্লেখ করে প্রধান দপ্তরে জানানো হয়েছে বলে  জানান বন্দর কর্তৃপক্ষ।

দ্রুত নদী ড্রেজিংসহ প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা না নিলে দক্ষিনাঞ্চলে নৌ-যান চলাচল ব্যাবস্থা ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment