লোকবল সঙ্কটসহ নানা কারণে মৌলভীবাজার আড়াইশ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। অবাক হলেও সত্যি, ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে সেবা দিচ্ছেন মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল, ম্যাটসের শিক্ষানবিসরা। রোগীদের দেয়া হচ্ছেনা বিনামূল্যের ঔষধ।

১৯৮৪ সালে ৫০ শয্যা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল ২০০৬ সালে ১০০ শয্যায় ও ২০১২ সালে ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। ২৫০ শয্যার বিপরিতে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ রোগী ভর্তি হচ্ছেন আন্তবিভাগে। হাসপাতালের বহির্বিভাগেও রোগীদের চাপ থাকে প্রতিদিন।

পেটের সমস্যা নিয়ে সাড়ে তিন মাসের শিশু তানিসাকে নিয়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে আসেন অভিবাবকরা। ব্যবস্থাপত্রে দুজন চিকিৎসকের একজন তানিসাকে দেন এন্টিবায়োটিকসহ সাতটি ঔষধ। কিছুক্ষণ পর বিষেশজ্ঞ চিকিৎসক আগের ব্যবস্থাপত্রের সব ঔষধ পরিবর্তন করে দেন নতুন চারটি ঔষধ। অনুসন্ধানে জানা গেলো আগের ব্যবস্থাপত্র লিখেছিলেন ম্যাটস এর একজন শিক্ষানবিশ। আর ঔষধগুলোও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। এভাবেই চলছে মৌলভীবাজার সরকারি হাসপাতাল।

রোগীদের দেয়া হচ্ছেনা বিনা মূল্যের ঔষধ। পরীক্ষা নীরিক্ষারক্ষেত্রেও রয়েছে অভিযোগ বিস্তর। আর সেবার মান বেড়েছে দাবি করে অভিযোগ তদন্তের আশ্বাস দেন তত্বাবধায়ক।

হাসপাতালে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার ৫৩টি পদের বিপরিতে আছেন ৩৫ জন। সেবিকাসহ দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার ১১৪টি পদের বিপরিতে আছেন ৮০ জন। সংকট রয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির লোকবল।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment