কক্সবাজারের দুটি শরণার্থী শিবিরে প্রায় সাতাশ বছর ধরে অবস্থান করছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরনার্থীরা। সেই সঙ্গে গেলো বছরের ২৫ আগস্ট থেকে দেশটির সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাত লাখেরও বেশী রোহিঙ্গা। আশ্রয় নেয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার সম্মানজনক বসবাসের লক্ষে সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। তারপরও এসব রোহিঙ্গারা এখন নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফিরে যেতে চান।

বিশ্বের সব চেয়ে বড় শরণার্থী শিবির কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং। নতুন ও পুরাতন মিলে প্রায় বারো লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয় এখানে। ১৯৯১ সাল থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নেয় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গারা। সর্বশেষ গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতনেরমুখে পালিয়ে আসে প্রায় ৭লাখ রোহিঙ্গা।

আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় নিত্য পন্যসহ সব ধরনের সহায়তায় বাংলাদেশের প্রশসংসা করেন এস রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে দ্রুত প্রত্যাবাসন চান রোহিঙ্গারা। একই সঙ্গে নির্যাতনের বিচারের পাশাপাশি নিজেদের সম্পদও ফেরত চান তারা।

এদিকে, নানান সীমাবদ্ধতা সত্বেও দ্রুততম সময়ে সংকট মোকাবেলা করে মানবতায় বাংলাদেশ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। নতুন করে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ষাট শতাংশ শিশু, যাদের মধ্যে প্রায় চল্লিশ হাজারই এতিম।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment