বিশ্ব বাজারে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ফুলের চাহিদা। বর্তমানে বছরে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের ফুল কেনাবেচা হয়। এরমধ্যে বাংলাদেশের অংশ মাত্র শূণ্য দশমিক ৩ শতাংশ থেকে শূণ্য দশমিক ৫ শতাংশ। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা উৎপাদন ও মানসম্পন্ন ফুল উৎপাদন করতে পারলে বিশ্ব বাজারে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌন্দর্য, ভালোবাসা আর পবিত্রতার প্রতীক ফুল। শ্রদ্ধা-ভালোবাসা, আনন্দ-উৎসব, সব আয়োজনই ফুল ছাড়া যেন অপূর্ণ থেকে যায়। আর তাই বিশ্বে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ফুল বেচাকেনা হয়।

বর্তমানে ২০টি দেশে বছরে প্রায় সাড়ে চারশ কোটি টাকার ফুল এবং ফুলজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ। এ নিয়ে গবেষণা আর আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব।

বর্তমানে প্রায় ১০হাজার হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হচ্ছে। এতে বৈচিত্র আর মান নিশ্চিত করা গেলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিশ্ব বাজারে বড় ধরনের অবস্থান নেয়া সম্ভব।

২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বে ফুলের বাজার দাঁড়াবে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment