নতুন অর্থ বছরের ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনবিআরকে জোগাতে হবে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। তাদের আয়ের প্রধান উপকরণ ভ্যাট ও আয়কর। মানুষকে খুশি রাখতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই করহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। কমেছে কর্পোরেট করহার। এছাড়া এনবিআর বহির্ভূত কর ৯ হাজার ৭২৭ কোটি আর কর বহির্ভূত আয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা।

চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার নতুন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এরমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। যা চলতি বছরের সংশোধিত লক্ষ্যের ৭১ হাজার ২শ কোটি টাকার বেশি। এনবিআর বহির্ভূত কর ৯ হাজার ৭২৭ কোটি আর কর বহির্ভূত প্রাপ্তি ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি। সার্বিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা জিডিপির ১৩.৪শতাংশ। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী।

২০১৯ সালের জুলাই থেকে ভ্যাট আইন কার্যকর হলেও এবার এ খাত থেকে আয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৫৫৫ কোটি। আর আয়, মুনাফা ও মুলধনের ওপর কর এক লাখ ৭১৯ কোটি; সম্পূরক শুল্ক ৪৮ হাজার ৭৬৬ কোটি ও আমদানি শুল্ক ধরা হয়েছে ৩২ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা। এছাড়া অন্যান্য শুল্ক ও কর ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা।

নতুন বাজেটে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক সবক্ষেত্রেই ছাড় দেয়া হয়েছে। এবার ৯টির পরিবর্তে ৫টি ভ্যাটহার প্রস্তাব করা হয়েছে। টিআইএনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ লাখে। ব্যক্তিশ্রেণিতে করমুক্ত আয়সীমা আগের আড়াই লাখ টাকাই থাকছে। ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের সর্বনিম্ন করহার ১০ শতাংশ থেকে নামিয়ে সাড়ে সাত শতাংশের একটি স্তর প্রস্তাব করেন তিনি। আলোচিত কর্পোরেট কর আড়াই শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৭.৫ শতাংশে।

বিশাল এ বাজেটে আয় ব্যয়ের ঘাটতি বরাবরের মতো ৫ শতাংশের নীচেই, অনুদান বাদে যার পরিমাণ এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। এ ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস হতে ৭১ হাজার ২২৬ কোটি এবং বিদেশী উৎস থেকে ৬০ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা ঋণ নিতে হবে সরকারকে। সরকারের ব্যাংক ঋণ ধরা হয়েছে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাক‍া।

রফতানিখাত উৎসাহিত করতে দিয়েছেন প্রণোদনা। পিপিপিতে গতি আনতে আছে আলাদা বরাদ্দ। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর মূলধনের ঘাটতি জোগাতে রাখা হয়েছে থোক বরাদ্দ।

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment