জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কোরআন শরীফের ডিজিটাল সংস্করণ। ফলে সফ্টওয়্যার ও অ্যাপ নির্মাতা কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও শুরু করেছে আল-কোরআন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি কাজ। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলছেন, প্রযুক্তির সহায়তায় সাধারণের জন্য সহজ এবং বোধগম্য হয়েছে পবিত্র কোরআন। তবে শোনার পাশাপাশি কোরআন পাঠের চর্চা বাড়ানোরও তাগিদ দেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ডিজিটাল কোরআন শরীফের কাজ শুরু করা হয়। তৈরি হয় ওয়েবসাইট। ধারনা করা হয়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও অক্ষরজ্ঞানহীন সম্পন্ন মানুষদের মাঝেও কোরানের আলো পৌছে দিতে ডিজিটাল কোরান ভূমিকা রাখবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তৈরি ডিজিটাল কোরআন শরীফে শোনা যায় তেলাওয়াত ও তরজমা। প্রতিটি সুরার বাংলা ও ইংরেজী অনুবাদ শুনতে পারেন ব্যবহারকারীরা। এ প্রকল্পের আওতায় আরবী থেকে বাংলা এবং আরবী থেকে ইংরেজী ভাষায় ই-বুক আকারেও দেয়া হয়েছে পবিত্র কোরআন। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলছেন, ডিজিটাল সংস্করনের কারণে কোরআনের বানী আরো প্রসারিত হবে।

কোরআন ডিজিটালাইজেশনে বেসরকারি পর্যায়েও উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সফ্টওয়্যার ও অ্যাপ নির্মাতা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে আল-কোরআন অ্যাপ্লিকেশন। এমনকি সিডি ও ডিভিডি আকারেও মানুষের হাতে হাতে পৌছে যাচ্ছে পবিত্র কোরআন।

ডিজিটাল ব্যবস্থায় শোনার পাশাপাশি এর মূল বাণী অনুধাবনে বেশি বেশি কোরআন পাঠ করার তাগিদ দেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment