শাবানা: ছোট্ট মেয়ে রত্না অভিনয় করলেন ‘নতুন সুর’ ছবিতে। চঞ্চল এক শিশু শিল্পী। বুদ্ধিদীপ্ত ও বাঙালিয়ানা মাখা সুশ্রী চেহারা দিয়ে ওইটুকু বয়সেই নজর কাড়লেন দর্শক-নির্মাতার। শিল্পী গড়ার কারিগর এহতেশাম নির্মাণ করলেন ‘চকোরী’। নায়ক নাদিমের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে রত্নাকেই মনে ধরলো তার। ওই ছবিতে নাম পাল্টে দিলেন তার এহতেশাম। রত্না থেকে ফিল্মি নাম দাঁড়ালো শাবানা। শহর থেকে গাঁ গেরামের সব দর্শক মাতালেন শাবানা।

১৯৯৬ সাল। শাবানা প্রথমবার অভিনয় করলেন মায়ের চরিত্রে। সালমান শাহ’র মা হয়ে এলেন ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘সত্যের মৃত্যু নেই ছবিতে। এই চরিত্রেও সফল তিনি। প্রেমিকার মতো মা,ভাবী হিসেবেও দর্শক তাকে সাদরে গ্রহণ করল। ঢাকাই ছবির সেই চিরন্তন বাঙালি বধূ,প্রেমিকা,কখনো ভাবী আবার কখনো মমতাময়ী মা বললেই যে মুখটি মনের পর্দায় ভেসে ওঠে তিনি শাবানা ছাড়া আর কেউ নন। কিন্তু হঠাৎ বদলে গেলেন তিনি। ১৯৯৭ সালে শাবানা দীর্ঘ ৩৪ বছরের কর্মজীবন শেষে হঠাৎ চলচ্চিত্রাঙ্গন থেকে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর তিনি আর নতুন কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি।

ফুলহাতা কামিজ আর হিজাব সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়েছে চিরচেনা অভিনেত্রী শাবানাকে। চলচ্চিত্র ছেড়ে দেওয়ার পর ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসারী হয়ে উঠেছেন চিত্রনায়িকা শাবানা। স্বামী ওয়াহিদ সাদিক, দুই মেয়ে সুমী ও উর্মি এবং একমাত্র পুত্র নাহিনকে নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন

নাজনীন আক্তার হ্যাপি: জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সাথে সম্পর্কের জের ধরে নানা সময় আলোচনা-সমালোচনায় পড়েছেন তিনি। থানা-আদালতে চক্করও কম কাটেনি তার। ক’দিন আগে ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন যে, চলচ্চিত্র ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনায় নিমগ্ন হবেন তিনি।

তাবলিগে পরিবেশটাই আলাদা,যেখানে অনেক অনেক মানুষ যারা শুধু আল্লাহকে ভালোবেসে আল্লাহের পথে চলার সুবিধার্থে ইসলামের আলোচনায় শামিল হয় সেই সাথে সেখানে যারা ছিল সবার মন নিশ্চয় আল্লাহের নূরে আলোকিত। এমন একটি জায়গা হাজারো সুন্দর জায়গা থেকে অনেক বেশি সুন্দর ও পবিত্র কারণ সেখানে সবার ধ্যানে শুধু মহান আল্লাহ। সেখান থেকে আসতে ইচ্ছা করছিল না। মনে হচ্ছিল সারা রাত বসে কোরআনের ব্যাখ্যা আর হাদিস শুনি আর সবার সাথে আল্লাহকে প্রাণ ভরে ডাকি। ইসলামের পথে চলার আশায় এমন একটি পরিবেশে যেতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।

আমাদের সবারই উচিত আল্লাহের কথা মেনে চলা ও তার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা, যে পারে সে পরকালের জান্নাতবাসী নিসন্ধেহে! সুবাহান আল্লাহ! আমরা সবসময়ই পবিত্র আর সুন্দর থাকতে পারি শুধু চিন্তা-ভাবনা যদি আল্লাহকে খুশি করার উদ্দেশ্য থাকে। কি হবে পরনিন্দা,মিথ্যা,অন্যায়,হিংসা-অহংকার এর মধ্যে থেকে? তার বিপরীতে যদি নামাজ,রোজা, আখলাক, পরোপকারিতা, কোরআন পাঠ ও নবীদের দেখানো পথে চলি তাহলেই জীবন সুন্দর ইহকাল ও পরকাল উভয় সময়ের জন্য।

নাহিদা আশরাফ আন্না: একসময় দুই পর্দায় সমানভাবে কাজ করেছেন নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী নাহিদা আশরাফ আন্না। নাহিদা বলেন, আমি আর অভিনয় কিংবা নাচ,কোনো টাতে কাজ করব না।

তিনি বলেন,আমি আল্লাহর পথে আসার পর থেকে আর জন্মদিন পালন করি না। আমি আমার জন্মদিন উপলক্ষে সবার কাছে দোয়া চাইছি,যাতে আল্লাহর পথে থেকে ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করতে পারি।

আর সবসময় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করছি। আল্লাহতায়ালার এবাদত বন্দেগিতেই নিজেকে ব্যস্ত রাখছি। এর পাশাপাশি আপাতত আমার ব্যবসা নিয়ে খুব ব্যস্ত সময় পার করছি।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment