নোয়াখালীর চরাঞ্চলে ব্যাপক হারে বাড়ছে সূর্যমুখী চাষ। লবণ সহিষ্ণু আর কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় সূর্যমুখী চাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষীরা। বাজারজাতকরণ, সেচ ও ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে সূর্যমুখীর মাধ্যমে চরাঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

২০১৫সালে নোয়াখালীর চরাঞ্চলে মাত্র ৩৫ একর জমিতে শুরু হয় সূর্যমুখী চাষ। লবন সহিঞ্চু ও কম খরচে ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর আবাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১৫ একরে।

তরমুজ, বাদাম, সয়াবিনের পরিবর্তে সূর্যমুখী চাষ করছেন অনেকে।   তবে বৃষ্টি ও সেচ সুবিধার অভাবে ফলন নিয়ে শঙ্কায় তারা।  এ অঞ্চলে সূর্যমূখী নতুন ফসল হওয়ায় বিক্রি নিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়ছেন কৃষকরা। সহজশর্তে ঋণ সুবিধা দেয়ার দাবি জানান তারা।

বাজারজাতকরণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ। চাষীরা বলছেন, ঋণ ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে নোয়াখালীর চরাঞ্চলের অন্যতম লাভজনক ফসল হতে পারে সূর্যমুখী।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment