নিষেধাজ্ঞার পরও ভোলায় ইলিশ শিকার চলছেই

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় চললে ইলিশ শিকার। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে নামছেন জেলেরা। মৎস্যঘাট ও হাটবাজারে চলছে কেনা-বেচা। এদিকে, সরকারি বরাদ্দ চাল না পাওয়া ও বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় মাছ শিকারে বাধ্য হচ্ছেন বলে দাবি জেলেদের। আর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে  মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃংখলা বাহিনী।

উপকূলীয় দ্বীপজেলা ভোলায় রয়েছে প্রায় দেড় লক্ষাধিক জেলে। তার মধ্যে সরকারি নিবন্ধিত জেলে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৬০জন। কিন্তু ২ মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ কালিন সময়ের জন্য বরাদ্ধ এসেছে মাত্র ৫২ হাজার ১৫০ পরিবারের জন্য। তাই বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাবে জেলেরা ছুটছেন নদীতে। আবার জেলার ৩৮টি বরফ কল বন্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

জেলেরা বলছেন বিভিন্ন এনজিও এবং সমিতির ঋনের টাকা পরিশোধে বাধ্য হয়েই তারা নদীতে যাচ্ছেন। আবার বরাদ্দ চাল অধিকাংশ জেলে  এখনও পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আর মৎস বিভাগ জানায়, জেলেদের জন্য বরাদ্দ চাল দ্রুত বিতরন ও এনজিও’র ঋণের টাকা ২ মাস বন্ধ রাখার উদ্দ্যোগ নেয়া হয়েছে। এদিকে মাছ ধরা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে মৎস অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ।

১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস সব ধরনের মাছ ধরা, মওজুদ ও বিপনণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে মৎস্য বিভাগ।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment